সভাপতি মহোদয়ের বক্তব্য
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ্র জন্য। আল্লাহ্র প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম, তাঁর সাহাবা ও আওলাদগণের পবিত্র দরবারে পাকে দরূদ শরীফের নজরানা পেশ করছি।
আল্লাহ্র সৃষ্টির মধ্যে সর্বোত্তম সৃষ্টি মানব জাতি। মানব জাতির উত্তম উপাধিতে ভূষিত হওয়ার অন্যতম কারণ সুশিক্ষা ও নৈতিকতা ধারণ। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিা-দীক্ষায় সমৃদ্ধ সে জাতি ততই উনড়বতীর শীর্ষে উপনীত। সুশিক্ষা ও নৈতিকতার বলেই তাবৎ পৃথিবীর মানুষগুলো বিশ্ব নন্দিত ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষস্থানে আরোহন করেছেন।
একটি সুন্দর মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য শিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষা আবার দুই প্রকার প্রথমত সাধারণ শিক্ষা, যে শিক্ষা অর্জন করে শুধু পৃথিবীতে স্বাচ্ছন্দে বসবাস করা যায়। দ্বিতীয়ত নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা। এ ধর্মীয় শিক্ষার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মানুষের হৃদয়ে মহান স্রষ্টার প্রেম ও ভয় জাগরুক রেখে, আল্লাহ্র বিধি-নিষেধ মান্য করে জীবন চলার নির্দেশিকা দেয়া পরকালে আল্লাহ্র নিকট প্রতিটি কাজের জবাবদিহিতার কথা মানুষের মাঝে সঞ্চার করা। বর্তমান সমাজের চারদিকে নৈতিক অবক্ষয়ের জোয়ার চলছে। অধঃপতিত সমাজে মানুষ আজ দিশেহারা। এহেন অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষার বিস্তার সময়ের দাবী। বিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থ, দর্শন ইত্যাদি বিষয়ের সাথে সাথে ক্বোরআন, হাদীস, ফিকহ্, তাফসীর ইত্যাদি বিষয়ে সমন্বিত শিক্ষা ব্যব্যস্থার নাম মাদ্রাসা শিক্ষা। মাদ্রাসা শিক্ষা বর্তমান অনেক সমৃদ্ধ। এ শিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিক বিজ্ঞান ও ধর্মীয় তথা নৈতিক জ্ঞান শিক্ষার সমান সুযোগ বিদ্যমান।
অতএব, এত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ, অধ্যাপক-প্রভাষক সহ কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলকে শিক্ষা দান কর্মে আন্তরিক ভূমিকা পালন করতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে স্ব-স্ব দায়িত্ব পালন করলেই জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার ছাত্র সমাজ-সঠিকভাবে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে লক্ষ্যপানে এগিয়ে যাবে। শিক্ষকতার মহৎ পেশায় নিয়োজিত সকলের জাতির নিকট দায়বদ্ধতা রয়েছে। সকলের সাম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেবে। এ প্রতিষ্ঠানকে আগামীতে আরো উন্নত ও মানব সম্পদ করার লক্ষ্যে সকলকে এক যোগে আত্ম নিবেদিত হওয়ার আহ্বান রইলো।
আল্লাহ্ পাক আমাদের সকলকে স্ব-স্ব দায়িত্ব আঞ্জাম দেওয়ার তাওফিক দান করুন। আ-মী-ন।
অধ্যক্ষ-সচিব মহোদয়ের বক্তব্য
সকল প্রশংসা সেই মহান
পেশ কালাম
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ও তাঁর প্রিয় হাবীব হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন, পরিবার ও সমাজ গঠনে কর্মমূখী ও যুগোপযোগী শিক্ষার সাথে দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরয। তাই শিক্ষার্থীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পিতা-মাতা ও অভিভাবকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। শিক্ষার্থীদের বাড়ীতে নিবিড়ভাবে লেখা-পড়ায় লিপ্ত রেখে ক্লাসের পড়া পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুতির জন্য "ক্লাস ডায়েরী” খুবই প্রয়োজন। মাদরাসার দক্ষ পরিচালনা পর্ষদ ও সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ অত্যন্ত দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আ'লে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশনা মোতাবেক “সাচ্ছা আলেম” তৈরীর সুমহান লক্ষ্য নিয়ে সবাই একযোগে কাজ করছেন। ডায়েরীতে প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-কানুন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের দায়িত্ব সংক্ষিপ্ত পরিসরে তুলে ধরা হয়েছে। ডায়েরী দ্বারা অভিভাবকরা শিক্ষার্থীর প্রতিদিনের শ্রেণি পাঠ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হবেন। শিক্ষার্থীর প্রাথমিক শিক্ষাঙ্গন হল পরিবার। ডায়েরী তে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম লিপিবদ্ধ করে বাসায় অনুশীলন করছে কিনা তা দেখার দায়িত্ব পিতা-মাতা ও অভিভাবকের। তাই শিক্ষার্থী সম্পর্কে পিতা-মাতা ও অভিভাবকের সচেতনতা, যথাযথ তদারকি, প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ এবং পরামর্শ শিক্ষার্থীর উজ্জল ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়ক হবে। আমরা শিক্ষার্থীর কল্যাণ ও প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।
-অধ্যক্ষ
Anjuman – E -Shura -E -Rahmania
Anjuman – E -Shura -E -Rahmania was established on 15 th Feb, 1925 in Rangoon (Burma) for serving the activities of Muslim Majhab and Millat, subsequently it was reconstituted on 29th August 1937 by the disciples who returned from Rangoon in presence of Huzur kebla Syed Ahmad Shah in Chittagong for administering and managing the affairs of Darul Uloom Islamia Rahmania Madrasha of Haripur, Pakistan.
13
672
2
Our Experiences
Gallery